করোনা আক্রান্ত দেশগুলো নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে একটি গবেষণা করা হয়েছিল। বিশ্বময় ১৬৩ টি দেশকে বেছে নেন গবেষকগণ। দেশগুলো থেকে কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট মোট মৃত্যু, মোট আক্রান্ত রোগী, এবং রোগ থেকে সেরে ওঠা মানুষদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এই সময় প্রতি মিলিয়ান জনসংখ্যয় শনাক্ত করা মোট কোভিড-১৯ কেস এবং মাথপিছু মসলা গ্রহণের মাঝে একটি সম্পর্ক দেখতে পান বিজ্ঞানীরা। খাদ্য তালিকায় নিয়মিত নির্দিষ্ট কিছু মসলার ব্যবহার করছেন এমন গোষ্ঠীগুলোতে কোভিডের কম প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা যায়।(সূত্র)
কোভিড-১৯ এবং মসলার রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে গবেষণা চলছিল এবং চলমান। অনেকগুলোর ফলাফল যথেষ্ট আশাব্যাঞ্জক। বিভিন্ন গবেষণা জার্নালের প্রতিবেদনগুলো বিবেচনা করলে, ছয়টি মসলাকে আমরা কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে সরাসরি সুরক্ষা দিতে সক্ষম হিসেবে চিহ্নিত করতে পারি। এই লেখায় মসলাগুলো কি কি এবং কিভাবে তারা সুরক্ষা দিবে সেটি উপস্থাপন করা হচ্ছে।
কোভিড-১৯ প্রতিরোধ মসলার ব্যবহার :
মসলার ব্যবহার রান্নাঘরে। তারা খাবারে স্বাদের যোগান দেয়। আমাদের রুচি বর্ধন করে। রসনা তৃপ্তির পাশাপাশি মসলার স্বাস্থ্যগত উপকারও আছে। সুদূর অতীত থেকেই বিভিন্ন মসলা, গাছ গাছড়া এবং তাদের ভেতরে সক্রিয় উপাদানগুলোকে চিকিৎসকরা মূলধারার মেডিসিনে ব্যবহার করে আসছেন। দেখা যায়, মসলা খুব কার্যকর ভাবেই বিভিন্ন ব্যাধিতে উপশম দেয়। যেমন, আর্থাইটিস, অ্যাজমা, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস ইত্যদি।
সাইটোকাইন স্টর্ম ও মসলার ভূমিকা :
আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় প্রবল আগ্রাসী এবং ধ্বংসের ক্ষমতা সম্পন্ন কোষ থাকে। এরা যুদ্ধপ্রবণ। সারাক্ষণ জীবাণুকে আক্রমণ করার জন্য সিগনালের অপেক্ষায় রয়েছে। এই সিগনালটি পাঠায় একদল প্রোটিন। প্রোটিনগুলোকে বলা হয় সাইটোকাইন। কোভিড-১৯ যখন গুরুতর রূপ নেয়, তখন এই সাইটোকাইনগুলোর পরিমাণ আমাদের শরীরে বেড়ে যায়। এরা সমস্ত রাক্ষুসে কোষগুলোকে উস্কে দেয়। জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধটি একটি অনিয়ন্ত্রিত, অতি আগ্রাসী রূপ ধারণ করে। এই ঘটনাটাকে বলে ‘সাইটোকাইন স্টর্ম’। কোভিড-১৯ এর রোগীকে ডাক্তাররা স্টেরয়েড দেন এই গন্ডগোলটিকে নিয়ন্ত্রণের জন্যই।
সাইটোকাইন স্টর্মের ফলে ফুসফুসে তীব্র প্রদাহ ঘটে। এবং নিউমোনিয়া দেখা দেয়। পরবর্তীতে এই প্রদাহ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। নিউমোনিয়ার সাথে আরেকটি সমস্যা দেখা দিতে পারে - সেটি হচ্ছে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার প্রবণতা। ফুসফুসের সূক্ষ রক্তনালীগুলো ভেঙে যায় নিউমোনিয়ার সময়। এর প্রতিক্রিয়ায় শরীর, রক্ত জমাট বাঁধার সহায়ক বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। সাধারণতঃ কোভিড-১৯ এর রোগীদের আকস্মিক মৃত্যু এই কারণেই হয়ে থাকে। তীব্র সংক্রমণে প্রতিক্রিয়ার শরীরে রক্তপিন্ডের সৃষ্টি হয়। সেই রক্তপিন্ড ফুসফুস, হার্ট, মস্তিষ্কের মত কোন একটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরযন্ত্রের রক্তনালীতে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে যন্ত্রটিকে কাজ করতে দেয় না। (সূত্র)
কোভিড-১৯ এই সাইটোকাইন স্টর্মের বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা দিতে পারে বিভিন্ন মসলা। মসলা এবং গাছ গাছড়ার সুপ্রমাণিত অ্যান্টি-ইনফ্লামেটোরী গুণ রয়েছে। কোভিড-১৯ এর সময় সাইটোকাইনের স্টর্মকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রশমন করতে পারবে এসব মসলা। আবার এমনি ঔষধের মত এখানে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ব্যাপারও নেই।
কোভিড-১৯ এর সময় কার্যকর যে ছয়টি মসলা :
১। হলুদ :
হলুদ আমাদের রান্নাঘরগুলোর একটি সুপরিচিত অনুষঙ্গ। বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রধান দেশীয় তরকারিগুলোর কোনটাই হলুদ ছাড়া রান্না হয় না। হলুদ ব্যবহার করার কারণ এই মসলাটি তরকারিকে একটি উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় রঙ দেয়। হলুদের চমৎকার রঙটির কারণ ‘কারকিউমিন’। এই উপাদানটিই কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে।
হলুদের এই প্রধান উপাদান কারমিউমিনের বিবিধ ঔষধি গুণ রয়েছে। তার মধ্যে প্রদাহ প্রশমন অন্যতম। সাইটোকাইনের পরিমাণ অত্যান্ত বেড়ে যাওয়ার ফলেই কোভিড রোগীদের মাল্টি অর্গান ফেইলিওর জনিত মৃত্যুর সম্ভাবনা তৈরী হয়। কারকিইউমিন, এরকম সাইটোকাইনদের যেমন ইন্টালিউকিন-৮ কে, দমন করতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।(সূত্র)
কোভিড-১৯ এর সময় ফুসফুসে পানি জমার ঘটনা ঘটে। যার ফলে রোগী তার ফুসফুসের মাধ্যমে শ্বাস প্রশ্বাস নিতে পারেন না। কোভিড-১৯ এ ফুসফুসের পানি জমার কারণ টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর আলফা। কারমিউমিন টিউমার নেক্রোসিস ফ্যাক্টর আলফার পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। (সূত্র)
প্রদাহ দমনের পাশাপাশি এন্টিভাইরাল গুণাগুণও রয়েছে কারমিউমিনের। গবেষণায় দেখা গেছে যে কারকিউমিন তার বেশ কয়েকটি কাজের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণকে ব্যাহত করে। যেমন
- সরাসরি ভাইরাল প্রোটিনকে নষ্ট করে দেয়
- ভাইরাসের থেকে বিভিন্ন ভাইরাস কণা তৈরী হতে দেয় না
- ভাইরাসের জিনকে প্রকাশে বাঁধা দেয়
- কোষে ভাইরাসের প্রবেশকে প্রতিহত করে
- ভাইরাসের বিভাজনকে দমন করে ((সূত্র)
করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত নিউমোনিয়ার উপসর্গ প্রবল হলে, রোগী তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এরকম নিউমোনিয়া মডেল নিয়ে পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, হলুদের কারমিউমিন ফুসফুসের ক্ষয় ও প্রদাহকে কমাতে পারে। এই ক্ষেত্রে কারকিউমিন দুটো বিষয়কে প্রভাবিত করে - একটি হল, হাইপোক্সিয়া ইনডিউসেবেল ফ্যাক্টর। এটি একটি প্রোটিন। শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গেলে এই প্রোটিনটি নিঃসিরত হয়। অপরটি হচ্ছে এনএফ-কাপ্পা বিটাকে নিয়ন্ত্রণ। সাইটোকাইনদের সংকেত কোষের নিউক্লিয়াসে পৌঁছায় নিউক্লিয়ার ফ্যাক্টর কাপ্পা বিটার মাধ্যমে। এভাবে কোভিড-১৯ এর নিউমোনিয়ায় ফুসফুসকে রক্ষায় কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে হলুদ। (
২। আদা :
কোভিড-১৯ এর সময় আদা ব্যবহার করলে শরীরের ক্ষয়ক্ষতিকে অনেকটা কমানো সম্ভব। আদার ভেতর ব্রোমোলিন নামের একটি এনজাইম থাকে। বাত বা আর্থাইটিসের চিকিৎসায় ব্রোমোলিনের বহুদিন ধরেই ব্যবহার হচ্ছে। বাত ব্যাধির কারণও মূলতঃ আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধী উপাদানগুলোর অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত আচরণ। কোভিড-১৯ এর সময়ও রোগ প্রতিরোধের উপাদানগুলো অতি আগ্রাসী আচরণ করে। আদা ব্যবহার করে এই আগ্রাসন কমানো সম্ভব। বিজ্ঞানীরা প্রস্তাব দিয়েছেন, কারমিউমিন এবং ব্রোমোলিন একসাথে ব্যবহার করে সার্স-কোভ টু এর সংক্রমণকে কার্যকরভাবে মোকাবেলা করা যেতে পারে।(সূত্র)
কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে আদা বা জিঞ্জারের বিভিন্ন উপাদান নিয়ে আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে আদা প্রদাহ প্রশমনের পাশাপাশি খোদ ভাইরাসকেও দমন করতে পারে। আদায় জিঞ্জেরোন-এ, জিঞ্জেরোল, জেরানিয়োল, শোগায়োল, জিঞ্জিবেরিন, জিঞ্জিবেরিনোল, জিঞ্জেরোন এরকম জৈবিক ভাবে সক্রিয় কিছু এন্টিভাইরাল উপাদান রয়েছে। এরা করোনা ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনকে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে। (সূত্র)
করোনা ভাইরাসের এস-প্রোটিন ফুসফুসের এনজিওটেনসিন কর্ভার্টিং এনজাইম টু রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়। এই সংযুক্তির ফলেই করোনা ভাইরাস মানুষের কোষের ভেতরে অবস্থান করে নিতে পারে। ভাইরাস তার বিভাজনের জন্য আদর্শ পরিবেশ পায়। আদার সক্রিয় উপাদানগুলোর এস-প্রোটিনকে দমন করার মাধ্যমে করোনা ভাইরাস থেকে সরাসরি সুরক্ষা দিতে পারে।
৩। কালো গোলমরিচ :
কোভিড-১৯ প্রতিরোধে কাল গোলমরিচ আশাব্যঞ্জক ফলাফল প্রদর্শন করেছে। ভারতীয় একদল বিজ্ঞানী তাদের গবেষণা থেকে এমনটা জানিয়েছেন।
কাল গোল মরিচের তীব্র স্বাদটির জন্য দায়ী ‘পিপেরিন’ নামের একটি উপাদান। এটি একটি অ্যালকালয়েড। রোগের জন্য দায়ী করোনা ভাইরাসের সাথে যুক্ত হয়ে কোভিড-১৯ কে মোকাবেলা করতে পারে পিপেরিন।
ভারতীয় গবেষক দলের প্রধান উমাকান্ত ত্রিপাথি বলেন, ‘করোনা ভাইরাস আর অন্য সব ভাইরাসের মতই তার বহিরাবরণের প্রোটিনটি ব্যবহার করে মানুষের শরীরের কোষের ভেতরে প্রবেশ করে।” তিনি এবং তার দল এমন ধরণের প্রাকৃতিক উপাদানের সন্ধান করছিলেন যা এরকম প্রোটিনগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে মানব কোষের ভাইরাসের প্রবেশ আটকে দিবে। মলিকুলার ডকিং এবং মলিকুলার ডিনামিক্স সিমুলেশান ব্যবহার করে তারা দেখেন যে, গোলমরিচের পিপেরিন এবং পিপার্ডাডিনের কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।
৪। দারুচিনি :
একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দারুচিনির ভাইরাস, ফাংগাস ও অন্যান্য রোগ সৃষ্টিতে সক্ষম জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। দারুচিনি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ। এটি উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, টিউমার, গ্যাস্ট্রিক এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যার বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ,প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের বিপরীতে ১০০ মিগ্রা দারুচিনির ব্যবহার
- আমাদের জীবাণু ভক্ষণকারী কোষ বা ফ্যাগোসাইটগুলোর পরিমাণ ও শক্তি বাড়িয়ে দেয়
- সেরাম ইমিউনোগ্লোবিউলিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে।
- অ্যান্টিবডি টাইটার বাড়িয়ে দেয়।
অন্যদিকে আরেকটু কম দারুচিনির ব্যবহার, যেমন প্রতি কেজি ওজনের বিপরীতে ১০ মিগ্রা - শুরু সেরাম ইমিউনোগ্লোবিউলিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। (সূত্র)
দারুচিনির এন্টিভাইরাল ও রোগ প্রতিরোধী এই গুণগুলো কোভিড-১৯ প্রতিরোধে যথেষ্ট কাজে আসতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা।
৫। লবঙ্গ :
লবঙ্গ কোভিড-১৯ এর ভাইরাসের বিরুদ্ধে সক্রিয় একটি উপাদানকে ধারণ করে। এই উপাদানটির নাম ইউজেনিন।
লবঙ্গের নির্যাস থেকে ইউজেননিকে পৃথক করে পরীক্ষা চালিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। প্রতি মিলি লিটারে ৫ মাইক্রোগ্রাম -এই মাত্রার ইউজেনিন হার্পিস সিম্প্লেক্স ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর। ভাইরাসের ডিএনএ তৈরীকে বন্ধ করে দেয় ইউজেনিন। ডিএনএ তৈরী বন্ধের জন্য ‘হার্পিস সিম্প্লেক্স ভাইরাস -১ ডিএনএ পলিমারেয’-কে রুদ্ধ করে ইউজেনিন। আরেকটি উপাদান ইউজেনোল ভাইরাসের বিভাজনকে বন্ধ করে দিয়ে, সংক্রমণ কমিয়ে দেয়। (সূত্র)
একই কার্যপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর ভাইরাসকেও লবঙ্গ দমন করতে পারবে বলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা।
৬। রসুন :
করোনা ভাইরাস থেকে রসুন আমাদের রক্ষা করার ক্ষমতা রাখে। রসুনে একধরনের এনজাইম থাকে - এলিনেজ। এই এলিনেজ, এলীনের ওপর কাজ করে তৈরী করে এলিসিন। এলিসিন বহুবিধ ভাইরাস ও ফাংগাসের বিরুদ্ধে শক্তিশালী ভূমিকা রাখার জন্য সুপরিচিত।
রসুনের ভাইরাস বিরোধী উপাদানগুলো হচ্ছে - এজোইন, এলিসিন, এলিল মিথাইল থায়েসালফানেট, মিথাইল এলিল থায়োসালফানেট ( ভাইরাস বিরোধী ক্ষমতার ক্রমানুযায়ী সাজানো)। রসুনের এই প্রতিটি উপাদানই কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে কার্যকরিতা দেখাতে সক্ষম বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
গবেষণাগারে, ‘সেল কালচারে’ দেখা গেছে, রসুনের নির্যাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে। কোষে ভাইরাসের প্রবেশ এবং সংখ্যায় বৃদ্ধিকে বন্ধ করে দিতে পারে রসুনের উপাদান। মুরগীর ভ্রুণে, সংক্রামক ব্রঙ্কাইটিস ভাইরাসের ( যেটি এক ধরণের করোনা ভাইরাস) বিরুদ্ধে দমনমূলক কার্যক্রম দেখিয়েছে রসুনের নির্যাস। (সূত্র)
এখন পর্যন্ত বিভিন্ন গবেষণা সাপেক্ষে, আলোচিত এই ছয়টি মসলাকে কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে কার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। বর্তমান সময়ে আমাদের শহরাঞ্চলগুলোর মানুষের খাদ্যাভাসে যথেষ্ট পরিবর্তন এসেছে। দেশীয় রসুই থেকে দূরে সরে গিয়েছে অনেকেই। মানুষ ফাস্টফুড ও অন্যন্য বিদেশী ধাঁচের খাবারে আসক্ত হওয়ায় এসব মসলাগুলো কম পাচ্ছি আমরা। অন্যদিকে গ্রামের দিকে মানুষ এখনও পর্যাপ্ত পরিমাণে এসব মসলাকে রেখেছেন তাদের খাদ্যতালিকায়। কোভিড-১৯ এ গ্রামের তুলনায় শহরের মানুষদের বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার এটিও হয়তো একটি কারণ।
আরও পড়ুন :
করোনার পরে ফুসফুসের যত্ন : ফুসফুসের খাবার এবং এক্সারসাইজ
কোভিড-১৯ এর পরে স্বাস্থ্য পুবরুদ্ধারের ১০ টি পরামর্শ
অক্সফোর্ডের টীকা নিয়ে বিভিন্ন সাধারণ প্রশ্ন

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন