শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১

দীর্ঘজীবী হতে চান? এই ৯টি নিয়ম মেনে চলুন

  বেশী দিন বেঁচে থাকার উপায় হচ্ছে কতগুলি সাধারণ নিয়ম কানুন মেনে চলা। কোন ধরণের জাদুকরী বিষয় এখানে নেই। কম বয়স থেকেই কিছু অভ্যাস যদি আপনি গড়ে তুলতে পারেন তাহলে, দীর্ঘ জীবন পাওয়া যেমন সম্ভব, তেমনি বার্ধক্যের সময়টাও তুলামূলক শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে পারবেন আপনি।

 বেশী বেঁচে থাকতে চাওয়া একটা স্বাভাবিক প্রবণতা মানুষের। মৃত্যুকে এড়ানোর কোন উপায় এখন পর্যন্ত নেই আমাদের হাতে। তারপরও সেই অবধারিত পরিণতির সাথে নিজের দূরত্ব বাড়ানোর একটা চেষ্টা তো অন্তত করা যেতে পারে। বর্তমান সময়ে মানুষের গড় আয়ু সত্তর বছরের মত। আপনি যদি সুস্থ সুশৃঙ্খল ভাবে জীবনযাপন করেন, সত্তর বছরের বেশী সময় জীবনকে উপভোগ করা সম্ভব।

  বিভিন্ন উন্নত ও ধনী দেশে, অবস্থাপন্ন নাগরিকগণ এখন অনায়াসেই আশির কোঠা পার করে যান। এবং এই বার্ধক্যের এই সময়টাও তাদের শরীরে যৌবনে সমস্ত গুনাবলী না থাকলেও, সম্পূর্ণ অক্ষম বা অশীতিপর হয়ে পড়েন না। তাদের এই দীর্ঘ জীবনের মূলে রয়েছে, কতগুলো স্বাভাবিক অভ্যাস ও নিয়ম কানুন মেনে চলা। এই নিয়মগুলো এতটাই প্রমাণিত যে, উন্নত দেশে এগুলো তাদের সংস্কৃতির অংশে পরিণত হয়েছে।


বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১

মক্সিফ্লক্সাসিন , অ্যাজিথ্রোমাইসিন নিয়ে কিছু কথা : অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর ব্যবহার ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

 মক্সিফ্লক্সাসিন, অ্যাজিথ্রোমাইসিন অ্যান্টিবায়োটিকগুলো করোনার সময়ে খুবই বিখ্যাত হয়ে উঠল। করোনা ভাইরাসকে এসব অ্যান্টিবায়োটিকগুলো ধ্বংস করতে পারে না। তবে , ভাইরাস আক্রান্ত শরীরের দুর্বলতা অন্য যেসব শ্বাসতন্ত্রের ব্যাক্টেরিয়া আক্রমণ করতে পারে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য ব্যবহার হত মক্সিফ্লক্সাসিন , অ্যাজিথ্রোমাইসিন।

 এই লেখায় আমরা এই অ্যান্টিবায়োটিক গুলোর ব্যবহার ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সমন্ধে জানার চেষ্টা করছি।

বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১

পেনিসিলিন কি ? সেফালোস্পোরিন কি ? বিটা-ল্যাক্টাম অ্যান্টিবায়োটিক পরিচিতি

 পেনিসিলিন কি, সেফালোস্পোরিন কি তা নিয়ে একটি মোটাদাগের ধারণা অনেক মানুষেরই আছে। এগুলো ওষুধ। জ্বর খুব বাড়াবাড়ি হয়ে গেলে ডাক্তারদেরকে এসব ওষুধ দিতে দেখা যায়। যারা আরেকটু বেশী তথ্য রাখেন, তাদের জানা আছে - পেনিসিলিন, সেফালোস্পোরিন এগুলো হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ।

 

অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের খুবই পরিচিত জিনিস। আমাদের দেশে প্রায় মানুষই জীবনে একবার হলেও অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স করেছেন। দেশের ঔষধ বিষয়ক নিয়মকানুন যথেষ্ট শীথিল এবং অ্যান্টিবায়োটিক লেখার বিষয়ে ডাক্তাররাও অত্যন্ত উদার হওয়ার কারণে অতি সামান্য উপসর্গ নিয়েও অ্যান্টবায়োটিক সেবন করে থাকেন আমাদের রোগীরা। যেকারণে, সফলতার সাথে, অনেক ধরণের অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট জীবাণু উৎপাদন করা গেছে শহরের হাসপাতালগুলোতে।

 

এমন প্রচলিত একটি চিকিৎসার, মূল বিষয়গুলো কিন্তু অনেকেরই অজানা। অধিকাংশ মানুষ এটাও নিশ্চিত নন, অ্যান্টিবায়োটিক আসলে ঠিক কি কাজটি করে। কিভাবে সে মোকাবেলা করে রোগব্যাধিকে। অ্যান্টিবায়োটিক কি সরাসরি জ্বর কমিয়ে দেয়? নাকি ভাইরাসকে মারে? নাকি ব্যাক্টেরিয়া? আর যে বিভিন্ন কঠিন নামওয়ালা অ্যান্টিবায়োটিকগুলো আমরা সেবন করে থাকি, সেগুলোর গঠনটি কিরকম এবং কিভাবে সে নিজের কাজটি করে থাকে - এসবই আমাদের আজকের আলোচনা।

সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২১

এন্টিফাঙ্গালের পরিচিতি : বিভিন্ন এন্টিফাঙ্গাল ঔষধগুলোর নাম, ব্যবহারের নিয়ম, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

 ফাঙ্গাস চর্মরোগের একটি সাধারণ কারণ। অনেকেই বিভিন্ন ফাঙ্গাল স্কিন ইনফেকশান বা ফাঙ্গাস ঘটিত চর্মরোগে ভুগে চিকিৎসকের শরাপন্ন হয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক, চিকিৎস আপনাকে এন্টিফাঙ্গাল ক্রিম বা মুখে খাওয়ার ঔষধ দিতে পারেন। অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই এসব এন্টিফাঙ্গাল ঔষধের ব্যবহার খুবই ভালো ফলাফল দেয়।

 রোগী নিজের ঔষধ ও চিকিৎসা সমন্ধে যত বেশী তথ্যে সমৃদ্ধ থাকবেন, চিকিৎসা পদ্ধতির সামগ্রিকভাবে সফল হওয়ার সম্ভাবনাও ততই বেড়ে যায়। সেই চিন্তা থেকেই, আজকে এন্টিফাঙ্গাল বিভিন্ন ড্রাগগুলোর সাথে পাঠককে পরিচয় করিয়ে দেয়া চেষ্টা করছি। চলুন দেখে নেই, সাধারণতঃ কি কি ঔষধ ব্যবহার হয় ফাঙ্গাসের চিকিৎসায়।

শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১

সাধারণ ফাংগাল ইনফেকশান : ফাংগাস ঘটিত পাঁচটি প্রধান চর্মরোগ এবং তাদের চিকিৎসা

 ত্বকের রোগবালাইগুলি একটি বিড়ম্বনা। চুলকানি, ব্যাথা, অস্বস্তি এসব তো থাকেই। সাথে আরেকটি সমস্যা হল দৃশ্যগুণ। রোগী নিজে যেমন দেখলে কষ্ট পান, তেমনি সমাজেও চলাফেরা করাও বেশ কঠিন হয়ে ওঠে। ত্বকের রোগগুলির মধ্যে ফাংগাল ইনফেকশানগুলো নিয়ে এই লেখায় আলোচনা করা হল। রোগের চিকিৎসাও উল্লেখ করা হচ্ছে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ ব্যবহার করবেন না অবশ্যই।

নিউরোলজির সহজ পাঠ : কিভাবে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশগুলোর মাধ্যমে আমাদের সমস্ত সত্তাকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়

স্কিনের ফাংগাল ইনফেকশান খুব একটা বিরল কিছু নয়। সংক্রমণটি দেখে অনেক সময় ভয় লাগলেও, এগুলোর পেছনে যে জীবসত্তাটি দায়ী থাকে সেটি চিনে ফেললে, এবং তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট চিকিৎসাপদ্ধতি অনুসরণ করতে পারলেই ত্বকের এসব ফাঙ্গাল রোগ কোন বিষয়ই না।

 

 ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আরও পড়ুন

বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১

ইমিউন সিস্টেম কি ? ইমিউনোলজি জানুন , রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান : নিউট্রোফিল , ম্যাক্রোফেজ থেকে ন্যাচারাল কিলার সেল

ইমিউন সিস্টেম (immune system) সবচেয়ে নিকটবর্তী বাংলা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা। এটি মানবদেহের একটি গুণ। বহু দিনের বিবর্তন গুণটির বিকাশ ঘটিয়েছে। ইমিউন সিস্টেমের কাজ আপাতদৃষ্টে দুরকম। প্রথমে বিভিন্ন ধরণের রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে শনাক্ত করে। তারপর ধ্বংস করে। মানবদেহের যথাসম্ভব কম ক্ষতি করে ধ্বংসযজ্ঞটি চালানো হয়।

ইমিউন সিস্টেম (immune system) কি ?

ইমিউন সিস্টেমের(immune system) অস্তিত্ব সমন্ধে উনিশ শতকের আগ পর্যন্ত নিশ্চিত ছিল না মানুষ। যদিও সবসময়ই, সবার মোটামুটি জানা ছিল - একটা সংক্রামক রোগ থেকে একবার সেরে উঠতে পারলে, সেই রোগের বিরুদ্ধে একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা শরীরে তৈরী হয়ে যায়।

 বর্তমান সময়ে ইমিউন সিস্টেমের (immune system) আরও কিছু তৎপরতা সমন্ধে আমরা জানতে পারছি। যেমন রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, শুধু আমাদেরকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষাই করে না; আঘাত জনিত কারণে শরীরের টিস্যু বা কলাতন্ত্রের কোন ক্ষতি হলে সেটির মেরামতেও অবদান রাখে।

 আবার এই ইমিউন সিস্টেম (immune system) নিয়ন্ত্রিহীন হয় অনেক সময়। তখন বিভিন্ন অটো-ইমিউন ও অটো-ইনফ্লামেটোরী ডিজিজের সৃষ্টি করে। সিস্টেমটিতে কোন গন্ডগোল দেখা দিলে ,মানুষে শরীরের বিভিন্ন ডিজিজ বা অসুস্থতা দেখা দেয়। ইমিউন সিস্টেম ঘটিত এসব ডিজিজে শরীরের প্রতিটি অঙ্গই আক্রান্ত হতে পারে।

 এই লেখায় আমরা ইমিউন সিস্টেমের (immune system) গঠন ও কাজ সমন্ধে মৌলিক ধারণাগুলো দেয়ার চেষ্টা করছি। যারা রোগ ব্যাধিকে বুঝতে চান, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও জ্ঞান বাড়াতে চান, ইমিউন সিস্টেমের মৌলিক বিষয়গুলো জানলে ভালোই হয় তাদের জন্য।

নিউরোলজির বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষা

  লোকালাইজিং   লেশান্স   ইন দি সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম - ( সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমে ক্ষত বা লেশানের অবস্থান নির্ণয় )   রোগীর হিস্ট্রি নি...